শসা শরীরের অপ্রয়োজনীয় বর্জ্য বের করে দিতে পারে, কিডনীতে পাথর হওয়ার সম্ভাবনা রুখে দেয়

0

একপ্রকারের সবজি হল শসা। শসার ইংরেজি নাম ও বৈজ্ঞানিক নাম হচ্ছে শসাতে ক্যালোরির পরিমাণ কম থাকে। জলের পরিমাণ বেশি থাকে শসাতে। একশ্রেণীর গোর্ড পরিবার কিউকারবিটাসের অন্তর্গত একটি অতি পরিচিত উদ্ভিদ। শসার বাইরের রঙ সবুজ। পাকলে হলুদ রঙের দেখতে হয় শসা। শসার ভিতরের অংশ সাদা। এই অংশে বীচ থাকে। গরমের সময় বেশি পাওয়া যায় শসা।

কবিরাজ : তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদিক ঔষধের দ্বারা নারী- পুরুষের সকল জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – খিলগাঁও, ঢাকাঃ। মোবাইল : ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

শসার গুনাগুণ : শশার ভিতরের জলীয় অংশ আছে। যা শরীরের অপ্রয়োজনীয় বর্জ্য শরীর থেকে বের করে দিতে পারে। নিয়মিত শশা খেলে কিডনীতে পাথর হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। শশা আমাদের দেহে জলের অভাব পূরণ করে অনায়াসে। কারন শশার খাদ্য উপাদানের মধ্যে ৯০ ভাগই হচ্ছে জল। দৈনিক চাহিদার সমপরিমাণ জল পান করতে না পারলে শশা খেয়ে জলের সেই অভাব পূরণ করা সম্ভব। শশা আমাদের শরীরের তাপ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।

বাইরে রোদের কারণে সূর্যের তাপে শরীরের চামড়ায় যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে তা থেকে শশা আমাদেরকে অনেকটাই স্বস্তি দিতে পারে। এজন্য শশা চাক চাক করে কেটে শরীরে রোদে পোড়া অংশে লাগালে উপকার পাওয়া যায়। যে কোন দাগ থেকে মুক্তি পেতে শসার রস লাগালে সেই দাগ চলে যায়। সুস্থ থাকার জন্য আমাদের শরীরে প্রতিদিন যে পরিমাণ ভিটামিন দরকার হয় তার অধিকাংশের অভাব পূরণ করে থাকে শশা।

ভিটামিন এ, বি ও সি–যেগুলো শরীরে শক্তি উৎপাদন ও শরীরের স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থাকে সক্রিয় রাখে। তার অধিকাংশই পূরণ করে থাকে শশা। শশায় রয়েছে স্টেরল নামের একধরণের উপাদান যা কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রনে রাখতে সাহায্য করে। স্টেরল মুটিয়ে যাওয়া রোধ করতেও সাহায্য করে। শশায় রয়েছে উচ্চ মাত্রায় পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও সলিকন। তাই শরীরে এসবের অভাবজনিত সমস্যার মূল সমাধান হলো শশা।

কবিরাজ : তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদিক ঔষধের দ্বারা নারী- পুরুষের সকল জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – খিলগাঁও, ঢাকাঃ। মোবাইল : ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

শশায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে জল। অত্যন্ত কম পরিমাণে ক্যালরি থাকে শসাতে। তাই যারা শরীরের ওজন কমানোর ব্যাপারে সচেতন তাদের জন্য শশা একটি খুবই উপকারি। শশা মুখের ভিতরের জীবাণুকে ধ্বংস করে মুখকে সজীব রাখতে সাহায্য করে। এক টুকরো শশা মুখের ভিতর পুড়ে জিভ দিয়ে মুখের ভিতরের অংশে ঘষলে দাঁত মুখের ভিতরে থাকা জীবাণুরা মরে যায়। ফলে নিঃশ্বাস দুর্গন্ধ মুক্ত হয়।

শশায় আছে সালফার ও সিলিকা নামের দুটি উপাদান। যা আমাদের মাথার চুল ও নখকে উজ্জল ও শক্ত করে তোলে। এগুলো চুলের বৃদ্ধিকেও তরান্বিত করতে সাহায্য করে।
স্বাস্থ্যরক্ষার পাশাপাশি শশা আমাদের ত্বক এবং চুলের জন্যও সমানভাবে উপকারি। লো ক্যালরি এবং ডায়েট্রি ফাইবারে সমৃদ্ধ এই সবজি। তাই রূপসচেতন নারীদের ডায়েট চার্টে শসা সবার প্রথমে থাকে।

কবিরাজ : তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদিক ঔষধের দ্বারা নারী- পুরুষের সকল জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – খিলগাঁও, ঢাকাঃ। মোবাইল : ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

তৈলাক্ত ত্বকের জন্য শশা খুব ভালো টোনার হিসেবে কাজ করে থাকে শসা। এটি ত্বকের ওপেন পোর কন্ট্রোল করতে বেশ উপকারি। শশার ৯৫% উপাদানই হচ্ছে জল। এর ফলে শশা খাওয়ার মাধ্যমে ত্বক হাইড্রেটেড এবং ময়েশ্চারাইজড থাকে। শশার বীচ বা দানায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ই এবং পটাশিয়াম যা ফাইন লাইন্স, রিংকেল সহ বার্ধক্যের বিভিন্ন ছাপ দূর করে ত্বক উজ্জ্বল করে। মুখের বলিরেখা দূর করে।

Leave A Reply