৬ মন্ত্রীর এপিএস নিয়োগ - Bd Online News 24
Home » জাতীয় » ৬ মন্ত্রীর এপিএস নিয়োগ

৬ মন্ত্রীর এপিএস নিয়োগ

পাঁচ মন্ত্রী ও এক প্রতিমন্ত্রীর জন্য সহকারী হিসেবে একান্ত সচিব (এপিএস) নিয়োগ দিয়েছে সরকার। আজ সোমবার (১৪ জানুয়ারি) মন্ত্রীদের অভিপ্রায়ের উপর ভিত্তি করে এপিএস নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের এপিএস হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন কে এম সিংহ রতন।

তাছাড়া সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের এপিএস হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সহকারী অধ্যাপক আবুল তাহের মো. মহিদুল হক। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সহকারী একান্ত সচিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মনির হোসেন।

ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর সহকারী একান্ত সচিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন রিদওয়ানুল করিম চৌধুরী। পরিবেশ, বন ও জলবায়ূ পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শাহাব উদ্দিনের এপিএস হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন কবিরুজ্জামান চৌধুরী। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমানের সহকারী একান্ত সচিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন শামীম আহাম্মদ।

উল্লেখ্য, মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা যতোদিন চাইবেন এপিএসরা ততোদিন দায়িত্ব পালন করবেন।নতুন সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্যরা নিজেদের পছন্দ মতো একান্ত সচিব (পিএস) না পেলেও নিজেদের পছন্দ মতো বা পছন্দের ব্যক্তিকে সহকারী একান্ত সচিব হিসেবে নিয়োগ দিতে পারবেন। জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের পছন্দ অনুযায়ী তাদের একান্ত সচিব (পিএস) নিয়োগ দিতো সরকার। এবারই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকেই ঠিক করে দেওয়া হয়েছে কার পিএস কে হবেন।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার (৯ জানুয়ারি) দুটি আদেশে উপসচিব পদমর্যাদার ৪৫ জন এবং জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব পদমর্যাদার এক কর্মকর্তাকে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের পিএস নিয়োগ দিয়ে ওই আদেশ জারি করে।পিএস পদে সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে থেকে নিয়োগ দেওয়া হলেও এপিএস হিসেবে যে কাউকে নিয়োগ দিতে পারবেন মন্ত্রিসভার সদস্যরা। তবে এপিএস যিনি হবেন তার প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তার আবেদন করার ন্যূনতম যোগ্যতা থাকতে হবে। এবার মন্ত্রণালয় থেকে পিএস ঠিক করে দেওয়ায় এপিএস পদে নিয়োগের ক্ষেত্রেও মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের পছন্দ গুরুত্ব পাবে না বলে গুঞ্জন চলছিল গত কয়েক দিন ধরে। শপথের পর কয়েক দিন পার হয়ে গেলেও স্পষ্ট কোনো সিদ্ধান্ত দিতে পাচ্ছিল না জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

সেই সংশয় কাটিয়ে নতুন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, পিএস মন্ত্রণালয় ঠিক করে দিলেও এপিএস নিয়োগে আগের রেওয়াজই বহাল থাকবে।তিনি বলেন, ‘মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীরা পছন্দের ব্যক্তিকে এপিএস হিসেবে নিয়োগ দিতে পারবেন। তবে এখন থেকে পিএস সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া হবে।’

সাধারণত প্রশাসনের উপসচিব মর্যাদার কর্মকর্তাদের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীর পিএস হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। অনেক সময় এ কর্মকর্তারা পদোন্নতি পেলেও মন্ত্রীরা তাদের নিজের সঙ্গে রেখে দেন।তবে এবার সরকার মন্ত্রিসভার সদস্যদের পিএস ঠিক করে দেওয়ায় নতুন সরকারে আসা পুরনো মন্ত্রীরা তাদের আগের পিএসকে আর রাখতে পারছেন না।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, বিভিন্ন সময়ে বিতর্ক তৈরি হওয়ার কারণে এপিএস পদে পলিটিক্যাল অ্যাপয়েন্টমেন্ট এবার বাদ দেওয়ার প্রস্তাব ছিল। আর এপিএস হিসেবে সরকারের ক্যাডার সার্ভিস বা নন-ক্যাডার কর্মকর্তাদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেওয়ার একটি প্রস্তাবও মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেসব আর বাস্তবায়ন হচ্ছে না

নতুন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীরা তাদের পছন্দের ব্যক্তিকে এপিএস হিসেবে নিয়োগ দিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে আধা-সরকারিপত্র দিলে মন্ত্রণালয় তাদের নিয়োগ দিয়ে আদেশ জারি করবেবিভিন্ন সময়ে এপিএসদের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কারণে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীদের সমালোচনার মুখে পড়তে দেখা গেছে। এপিএসদের ‘নিয়োগ বাণিজ্য’ ও অনিয়মে জড়িয়ে পড়ার খবর বিভিন্ন সময়ে সংবাদ শিরোনাম হয়েছে। বিতর্ক এড়াতে এর আগে কয়েকজন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীকে নিজের সন্তাকে এপিএস হিসেবে নিয়োগ দিতে দেখা গেছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নিজের হাতেই রেখেছেন। বুধবার (৯ জানুয়ারি) মন্ত্রিসভার নতুন সদস্যদের হুঁশিয়ার করে তিনি বলেছেন, কাজের ক্ষেত্রে যেন কোনো গাফিলতি না হয়, সেজন্য নজর রাখবেন তিনি।

পাঁচ মন্ত্রী ও এক প্রতিমন্ত্রীর জন্য সহকারী হিসেবে একান্ত সচিব (এপিএস) নিয়োগ দিয়েছে সরকার। আজ সোমবার (১৪ জানুয়ারি) মন্ত্রীদের অভিপ্রায়ের উপর ভিত্তি করে এপিএস নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের এপিএস হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন কে এম সিংহ রতন।

তাছাড়া সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের এপিএস হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সহকারী অধ্যাপক আবুল তাহের মো. মহিদুল হক। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সহকারী একান্ত সচিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মনির হোসেন।

ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর সহকারী একান্ত সচিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন রিদওয়ানুল করিম চৌধুরী। পরিবেশ, বন ও জলবায়ূ পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শাহাব উদ্দিনের এপিএস হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন কবিরুজ্জামান চৌধুরী। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমানের সহকারী একান্ত সচিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন শামীম আহাম্মদ।

উল্লেখ্য, মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা যতোদিন চাইবেন এপিএসরা ততোদিন দায়িত্ব পালন করবেন।নতুন সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্যরা নিজেদের পছন্দ মতো একান্ত সচিব (পিএস) না পেলেও নিজেদের পছন্দ মতো বা পছন্দের ব্যক্তিকে সহকারী একান্ত সচিব হিসেবে নিয়োগ দিতে পারবেন। জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের পছন্দ অনুযায়ী তাদের একান্ত সচিব (পিএস) নিয়োগ দিতো সরকার। এবারই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকেই ঠিক করে দেওয়া হয়েছে কার পিএস কে হবেন।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার (৯ জানুয়ারি) দুটি আদেশে উপসচিব পদমর্যাদার ৪৫ জন এবং জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব পদমর্যাদার এক কর্মকর্তাকে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের পিএস নিয়োগ দিয়ে ওই আদেশ জারি করে।পিএস পদে সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে থেকে নিয়োগ দেওয়া হলেও এপিএস হিসেবে যে কাউকে নিয়োগ দিতে পারবেন মন্ত্রিসভার সদস্যরা। তবে এপিএস যিনি হবেন তার প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তার আবেদন করার ন্যূনতম যোগ্যতা থাকতে হবে। এবার মন্ত্রণালয় থেকে পিএস ঠিক করে দেওয়ায় এপিএস পদে নিয়োগের ক্ষেত্রেও মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের পছন্দ গুরুত্ব পাবে না বলে গুঞ্জন চলছিল গত কয়েক দিন ধরে। শপথের পর কয়েক দিন পার হয়ে গেলেও স্পষ্ট কোনো সিদ্ধান্ত দিতে পাচ্ছিল না জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

সেই সংশয় কাটিয়ে নতুন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, পিএস মন্ত্রণালয় ঠিক করে দিলেও এপিএস নিয়োগে আগের রেওয়াজই বহাল থাকবে।তিনি বলেন, ‘মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীরা পছন্দের ব্যক্তিকে এপিএস হিসেবে নিয়োগ দিতে পারবেন। তবে এখন থেকে পিএস সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া হবে।’

সাধারণত প্রশাসনের উপসচিব মর্যাদার কর্মকর্তাদের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীর পিএস হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। অনেক সময় এ কর্মকর্তারা পদোন্নতি পেলেও মন্ত্রীরা তাদের নিজের সঙ্গে রেখে দেন।তবে এবার সরকার মন্ত্রিসভার সদস্যদের পিএস ঠিক করে দেওয়ায় নতুন সরকারে আসা পুরনো মন্ত্রীরা তাদের আগের পিএসকে আর রাখতে পারছেন না।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, বিভিন্ন সময়ে বিতর্ক তৈরি হওয়ার কারণে এপিএস পদে পলিটিক্যাল অ্যাপয়েন্টমেন্ট এবার বাদ দেওয়ার প্রস্তাব ছিল। আর এপিএস হিসেবে সরকারের ক্যাডার সার্ভিস বা নন-ক্যাডার কর্মকর্তাদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেওয়ার একটি প্রস্তাবও মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেসব আর বাস্তবায়ন হচ্ছে না

নতুন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীরা তাদের পছন্দের ব্যক্তিকে এপিএস হিসেবে নিয়োগ দিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে আধা-সরকারিপত্র দিলে মন্ত্রণালয় তাদের নিয়োগ দিয়ে আদেশ জারি করবেবিভিন্ন সময়ে এপিএসদের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কারণে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীদের সমালোচনার মুখে পড়তে দেখা গেছে। এপিএসদের ‘নিয়োগ বাণিজ্য’ ও অনিয়মে জড়িয়ে পড়ার খবর বিভিন্ন সময়ে সংবাদ শিরোনাম হয়েছে। বিতর্ক এড়াতে এর আগে কয়েকজন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীকে নিজের সন্তাকে এপিএস হিসেবে নিয়োগ দিতে দেখা গেছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নিজের হাতেই রেখেছেন। বুধবার (৯ জানুয়ারি) মন্ত্রিসভার নতুন সদস্যদের হুঁশিয়ার করে তিনি বলেছেন, কাজের ক্ষেত্রে যেন কোনো গাফিলতি না হয়, সেজন্য নজর রাখবেন তিনি।

About Admin3

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

WP Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com